হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় হাচ্যারী পোল্ট্রি ফার্ম

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(হাবিপ্রবি) এর মাৎস্যবিজ্ঞান ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি হচ্ছে একটি হাচ্যারী এবং পোল্ট্রি ও ডেইরী ফার্ম কমপ্লেক্স। রোববার উক্ত কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান হাবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম। পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. নাহিদ আক্তার।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, আমি যোগদানের পরই জানতে পারি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য কোন হাচ্যারী বা ভালো পুকুর নেই। আসলে প্রাক্টিক্যাল জ্ঞান ছাড়া ক্লাসে বসে বসেই কখনো প্রকৃত শিক্ষা পাওয়া যায়না। তাই বিষয়টি জানার পর পরই আমি একটি হাচ্যারী তৈরির উদ্যোগের পাশাপাশি পোল্ট্রি ও ডেইরী ফার্ম এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেই। সে হিসেবে এর কাজ দ্রুত ও সুন্দর ভাবে বাস্তবায়নের জন্য পুরো কাজের দায়িত্ব রুরাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমী (আরডিএ)-কে প্রধান করা হয়। ইতোমধ্যেই কাজ প্রায় শেষের দিকে,তাই আজ সরেজমিনে দেখতে আসলাম।

বিদ্যুৎ সংযোগসহ আর অল্প কিছু কাজ বাকি আছে। আশা করি জানুয়ারির দিকে এই কমপ্লেক্স খুলে দিতে পারব। তিনি বলেন আগে ক্যাম্পাসের ড্রেনের ময়লা পানি যেয়ে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের গবেষণা পুকুরে পড়ত সেটিরও সমাধান হয়ে গেছে। এখন আর ড্রেনের পানি পুকুরে যায়না, নতুন ড্রেন তৈরি করে অন্য জায়গায় ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার ব্যাপারে আমার আন্তরিকতার কমতি নেই, সাধ্যমত যতোটুকু সম্ভব কাজ করে যাচ্ছি, সামনেও করবো ইনশাআল্লাহ্‌। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মর্যাদার আসনে নিয়ে যাওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে, হাচ্যারী, পোল্ট্রি ও ডেইরী ফার্ম কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে তিনি নির্মাণাধীন ৬ তলা ছাত্রী হল, নবনির্মিত প্রধান গেট ও নির্মাণাধীন ১০ তলা একাডেমিক ভবনের কাজ পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি বলেন দুটি লিফট সহ আধুনিক এই ছাত্রী হল নির্মাণ হলে ছাত্রীদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হবে।

অন্যদিকে, ১০ তলা একাডেমিক ভবনের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে ,এটি হলে ল্যাব ও ক্লাসরুমের সংকট কেটে যাবে। এই ভবনেও সিড়ির পাশাপাশি ৮টি লিফট , নামাজ ঘর, ক্যাফেটোরিরা, ফারার সেফটি সহ আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা থাকবে। এদিকে প্রধান গেটের ব্যাপারে তিনি বলেন দিনের বেলা গেটের লিখাগুলো ঠিকমতো বোঝা যায়না তাই গেটের নেটের ব্যাকগ্রাউন্ড রঙ করার জন্য ইঞ্জিনিয়ারদের নির্দেশ দিয়েছি।

শর্টলিংকঃ