সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খুকশিয়া (বাসাপাড়া) গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এক গৃহবধূ শ্লীলতাহানীসহ মারধরের শিকার হন। পরে তাকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। আহত গৃববধূ দিপালী রানী (২০) ওই গ্রামের বাসিন্দা শ্রী সুচিত্র’র স্ত্রী।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মতিন্দ্র দাসের ছেলে লালবাবু (২০) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম “ফেসবুক” তার ছবি পোষ্ট করে। উক্ত পোষ্টে একই গ্রামের জনৈক আপেল (২৫) অসৌজন্যমুলক কমেন্টস্ করে।এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

লালবাবু জানান, এ ঘটনার জের ধরে আপেল সহপাঠিদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তাকে অ্যালোপাথারী মারধর করে।তারা ‘রাধা গোবিন্দ মন্দির’ সংলগ্ন জনৈক নিবারনের বসতবাড়ীর পূর্ব দুয়ারী টিনসেট ঘরের পিছনের বেড়া লাঠি দিয়ে কুপিয়ে ভাংচুর করে।

এর পরে সুচিত্র’র বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে তারা পাকা ওয়ালের ঘরের জানালা অ্যালোপাথারী কুপিয়ে ভাংচুরের চেষ্টা করে।সুচিত্রর স্ত্রী দিপালী রানীর অভিযোগ, এ কাজে বাধা দিলে আপেল ও তার সহপাঠিরা পড়নের কাপড় টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানী ঘটায় এবং আ্যালোপাথারী মারধর করে আহত করে।পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করেও আপেলকে পাওয়া যায়নি। তবে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার কথা স্বীকার করে স্থানীয় শিপন নামে এক যুবক জানান, লালবাবু আগে মারধর করার প্রতিশোধ নিতেই আপের এ তান্ডব চালিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শর্টলিংকঃ