শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার রহস্য উদঘাটন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সরকারি ডিগ্রী কলেজের পাশে বাঁশঝাড় থেকে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হাসনা খাতুন হিমা (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ সক্ষম হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামি মো. মোরসালিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বর্ধনকুঠি এলাকায় আসামি মোরসালিন তার ঘরে হাসনা খাতুনকে বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

হাসনা খাতুন এ ঘটনা নানিকে বলে দেবে বলে জানালে শিশুটির ব্যবহৃত হিজাব দিয়ে আসামি মোরসালিন তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশটি বস্তাবন্দি করে মোরসালিন তার বাই সাইকেলের পেছনে নিয়ে ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন বাঁশঝাড়ে ফেলে রেখে আসে।

এ ঘটনায় পুলিশ ব্যাপক তদন্ত চালিয়ে পৌর এলাকার সিসি ক্যামরা থেকে লাশ বহনের একটি ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করে। পরে মোরসালিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার বিষয়টি সে স্বীকার করে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বাই-সাইকেলসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান এসপি।

শর্টলিংকঃ