রামেকে উপসর্গ ও করোনায় একদিনে আরও মৃত্যু ১৯

রামেক হাসপাতালে করোনা ও করোনার উপসর্গে একদিনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা প্রাণ হারান।

আজ সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,“এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে চারজন ও উপসর্গে ১৫ জন মারা যান।এর মধ্যে পুরুষ ১৩ ও নারী ৬ জন মারা গেছেন। মৃতদের অধিকাংশের বয়স ৩৫-৬৫ বছরের মধ্যে।”

মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ১০ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোরের দুইজন, নওগাঁর দুইজন ও পাবনার একজন, কুষ্টিয়ার একজন, চুয়াডাঙ্গার একজন ও জয়পুরহাটের একজন।

অন্যদিকে, রাজশাহীর নয়জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোর একজন, নওগাঁর একজন, কুষ্টিয়ার একজন, চুয়াডাঙ্গার একজন ও জয়পুরহাটের একজন করোনা উপসর্গে মারা যান। মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে রোগীদের ভর্তি ও সংক্রমণের বিষয়ে রামেক পরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৭৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৩ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৯৭ এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ২৯২ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে ৪৫৪টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৪৮৯ জন।

করোনা পরীক্ষার বিষয়ে পরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে ২৮২টি নমুনা পরীক্ষায় ৭৫ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। অন্যদিকে, মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৪৩০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২৬ জন করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। দুই ল্যাবের টেস্টে মোট ৭১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ২০১ জনের করোনা পজিটিভ রেজাল্ট আসে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ০৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ৪৮৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ হাসপাতালে এখন করোনা বিশেষায়িত শয্যা সংখ্যা ৪৫৪টি। হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫০টি বাড়ানো হয়েছে।

শর্টলিংকঃ