রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ জনই পীরগঞ্জের

রাজশাহীর কাটাখালিতে বাস-মাইক্রোবাস ও লেগুনার ত্রিমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৮ জনের গ্রামের বাড়িই রংপুরের পীরগঞ্জের তিনটি গ্রামে। এরা চারটি পরিবারের। সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও নিকটাত্মীয়। ওই তিনটি গ্রাম এখন ভাসছে আহাজারির নোনা পানিতে।

পীরগঞ্জ থানার ওসি সরেস চন্দ্র জানান, শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জ থেকে মাইক্রবাসে করে রাজশাহীতে পিকনিকের জন্য যাচ্ছিলেন। নিহতের মধ্যে চারটি পরিবারের ১৬ জন সদস্য ছাড়াও দু’জন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন- পীরগঞ্জ উপজেলার দারিকাপাড়া গ্রামের মোখলেছার রহমান, তার স্ত্রী পারভীন বেগম ও ছেলে পাভেল। অন্যরা হলেন প্রজাপাড়ার তাজুল ইসলাম ভূট্টু, তার স্ত্রী মুক্তা বেগম ও ছেলে ইয়ামিন। বড় মজিদপুর গ্রামের ফুল মিয়া, তার স্ত্রী নাজমা বেগম দুই মেয়ে সুমাইয়া (৭) ও সাজিদা (৩)। রাজারামপুর গ্রামের সালাহ উদ্দিন, তার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম, ছেলে সজিব, মেয়ে সাবা ও শ্যালিকা কামরুন্নাহার বেগম। দরাকুঠি গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও মাইক্রবাসের ড্রাইভার পচা মিয়া।

ওসি জানান, কয়েক দিন আগে পীরগঞ্জের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ১৪ সিটের একটি মাইক্রবাস কেনেন। শুক্রবার সকালে চারটি পরিবারের সদস্যসহ ১৭ জন ওই মাইক্রোবাস ভাড়া করে রাজশাহীর পদ্মার পাড়ে পিকনিকের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। কাটাখালি কাপাশিয়া এলাকায় পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রবাসটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৮ জন নিহত হয়।

ওসি আরো জানান, রাজশাহী থেকে তাকে ওয়ারলেস ম্যাসেজ করে দুর্ঘটনার খবর জানানো হয়। নিহতদের স্বজনরা দুটি গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে গেছেন। তারা নিহত ১৮ জনের লাশ নিয়ে সকালেই বাড়ি ফেরার কথা রয়েছে।

শর্টলিংকঃ