মা মেয়েকে ধর্ষণ মামলায় আসামির স্বীকারোক্তি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ মামলার আসামি রুহুল আমিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ শনিবার গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রে  তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রুহুল আমিন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদের ছেলে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এর আগে তথ্য উদঘাটনে রুহুল আমিনকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জবানবন্দি গ্রহণের আবেদনসহ তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে,  র‌্যাব -১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের সদস্যরা রুহুল আমিনকে উপজেলার কাটাখালী বালুয়া বাজারের একটি মার্কেট থেকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নির্যাতিত দুই নারীর অভিযোগ ছিল।পরে নির্যতিত মা – মে বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রুহুল আমিন তার শাশুড়িকে গোসলরত অবস্থার আপত্তিকর ছবি মোবাইল ফোনে ভিডিও করেন। পরে তা সেগুলো ফেসবুকে ছেড়ে দিবার ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। শাশুড়ি তাতে রাজী না হলে রুহুল আমিন তাকে জোরপূর্বক গত ১৩ মার্চ থেকে শুরু করে গত ৭ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্নসময় ধর্ষণ করেন।

অন্যদিকে তার আপন শালীকাকেও একই কায়দার ফেলে ধর্ষণ করেছিলো। পৃথক বিষয় দুটি জানার পর র‌্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের সদস্যরা ২৫ জুলাই রুহুল আমিনকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালি বালুয়াবাজারের মুক্তিযোদ্ধা ময়েজউদ্দিন সুপার মার্কেট থেকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে মোবাইলে ধারণকৃত অশ্লীল ভিডিও ও স্থিরচিত্রসহ মোবাইলফোনটি জব্দ করা হয়।

শর্টলিংকঃ