মাদক সেবনের পরিণতি শিকলবন্দী জীবন!

সাপাহারে মাদকের কবলে পড়ে মস্তিস্ক বিকৃত হয়ে অবশেষে শিকল বন্দী জীবন যাপন করছেন জামিরুল ইসলাম (৩২) নামে এক যুবক। পরিবারের দাবি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক সেবনের ফলে মস্তিস্ক বিকৃত হয়ে উৎশৃংখল ও উদ্ধত আচরণের জন্য তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জামিরুলের স্ত্রী রোখছানা বেগম বলেন ১৪ বছর আগে উপজেলার শীতলপাটি গ্রামের শাহজামালের ছেলে জামিরুলের সাথে তার বিয়ে হয়। সংসার চলাকালীন সময়ে তাদের কোলজুড়ে ২ ছেলে ও এক মেয়ে পৃথিবীতে আসে। বিয়ের হওয়ার প্রথম দিকে তার স্বামী জামিরুলের আচার আচরণ ভালো থাকলেও কিছুদিন পর বেরিয়ে আসে তার আসল রূপ। সে গাঁজা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য সেবন করে প্রায় রাতে তাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। কিন্তু রোখছানা তার স্বামীর প্রতি ভালোবাসার কারনে কয়েকবার তালাক দিতে চাইলেও তালাক দিতে পারেনি। যার ফলস্বরূপ ১৪ বছর যাবৎ মাদকাসক্ত জামিরুলের সাথে ঘর সংসার করে আসছে। এভাবে দিনের পর দিন পার হয়ে গেলেও শোধরাতে পারেনি স্বামী জামিরুলের চরিত্র। তাকে মাদক সেবনে বাধা দিলে তাকে মারধরসহ প্রণ নাশের হুমকি দিত। কারো কথার তোয়াক্কা না করে পরবর্তী সময়ে মাদকের করাল গ্রাসে নিমজ্জিত হতেই থাকে মাদকাসক্ত জামিরুল। যার ফল স্বরূপ এক সময় মস্তিস্ক বিকৃত হয়ে যায় তার। মস্তিস্ক বিকৃত হবার ফলে উশৃংখলতা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে গত ৬ মাস যাবৎ তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন তার পরিবারের লোকজন।

শর্টলিংকঃ