মর্টারসেল কাটার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়িতে গত বুধবার বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম¥দ তৌহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের বা তার পূর্বের কোন সময়ের পরিত্যক্ত মর্টার সেল কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার সাথে জঙ্গি বা নাশকতার কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে আগত ১১ সদস্যের বোমা বিশেষজ্ঞ দল নয়াপাড়া গ্রামের বাড়িটিতে তদন্ত কাজ শুরু করে দুপুর ১২ টায় শেষ করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ছয় লেনে উন্নীত করার যে কাজ চলছে তাতে মেশিন দিয়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করা হচ্ছে। কিছুদিন আগে গোবিন্দগঞ্জের নিকটবর্তী মোকামতলায় নয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলীর বাড়ির লোকজন মর্টারসেলটি কুড়িয়ে পায়।সেটি হাত বদল হয়ে বোরহান উদ্দিনের হাতে আসে।বুধবার সেই মর্টারসেলটি কাটাকাটি করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত হন। এঘটনায় বগুড়ার মোকামতলার হাবিবুর নামের একজনকে আটক করা হয়েছ্। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামে বসতবাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় বাড়ির মালিক কাসেম প্রধানের ছেলে বোরহান উদ্দিন (৩৬), একই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে অহেদুল মিয়া (৪০) ও গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরাডাঙ্গা গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে মাসুদ রানা নিহত হন।

শর্টলিংকঃ