মর্গে সন্তানের লাশ, বাইরে মায়ের আর্তনাদ

মর্গের ভেতরে সন্তানের লাশ, বাইরে মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ। প্রিয় সন্তান সুস্থ অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে নিথর হয়ে পড়ে আছে, মানতে পারছেন না মা ও স্বজনরা। তাই ঠাঁই বসে আছেন লাশ ঘরের সামনে।

মায়ের দাবি, নির্যাতনের কারণেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল মেয়ের। তাই শেষ মুহূর্তে বাঁচার চেষ্টাও করেছিল নির্যাতিতা ওই কিশোরী। জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক একমাত্র চাওয়া স্বজনদের। শুক্রবার এ ঘটনার একমাত্র আসামি দিহানকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘অত্যন্ত পাশবিকতার আশ্রয় নিয়ে নিষ্ঠুরভাবে মেধাবী ছাত্রী আনুশকাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তানভীর ইফতেফার দিহান তার নিজের দোষ স্বীকার করে আজ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী রাজধানীর ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী । বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে কলাবাগানের ডলফিন গলির বাসায় নিয়ে যায় অভিযুক্ত ওই ছাত্র। ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণ হলে নির্যাতিতাকে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে যান অভিযুক্ত নিজেই। এর মধ্যে নির্যাতিতার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানায় সে। হাসপাতালে আসার আগেই মেয়ের মৃত্যুর খবর পান মা। এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছেন নিহত শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা। এছাড়াও এ ঘটনায় শাস্তির দাবি করে দেশের কয়েকটি স্থানে মানববন্ধন হয়েছে।

শর্টলিংকঃ