বসতবাড়ী হারা পরিবারগুলোর ঠাঁই হলো গুচ্ছগ্রামে

করতোয়া নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে উপজেলার পারধুন্দিয়া গ্রামের প্রায় অর্ধশত পরিবার বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামটি রক্ষায় করতোয়া নদীর তীর প্রতিরক্ষার কাজ বন্যার আগে না হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, নদীভাঙ্গনের কবল থেকে পারধুন্দিয়া গ্রামটি রক্ষায় করতোয়া নদীর সাড়ে চারশ মিটার তীর প্রতিরক্ষা কাজের বিপরীতে প্রায় পৌনে চার কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন দেয় সরকার। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রামের বেলাল কনস্ট্রাকশন কাজটি গত জুলাইয়ে শুরু করে।

পারধুন্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাদা মিয়া জানান, নদীভাঙ্গন ঠেকাতে দুই একটি জায়গায় স্বল্প সংখ্যক জিও ব্যাগ ফেলানো হলেও তা চতুর্থ দফা বন্যার পানিতে ভেসে যায়। সম্প্রতি পানি কমতে শুরু করলে নদীভাঙ্গন তীব্র হয়। গত এক সপ্তাহে অব্যাহত নদীভাঙ্গনে পারধুন্দিয়া এলাকার প্রায় অর্ধশত পরিবারের বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ফলে সর্বস্ব হারানো পরিবার গুলো ঠাঁই নেয় স্থানীয় গুচ্ছগ্রামসহ নান জায়গায়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,বন্যার পূর্বেই নদীর তীর প্রতিরক্ষার কাজ শেষ করা হলে ভাঙ্গন থেকে তারা রক্ষা পেত। বসতবাড়ি হারিয়ে এখন তারা মানবেতর জীবন করছে বলে ভাঙ্গনকবলিত বাসিন্দারা জানালেন।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও মাহাবুবর রহমান আরো জানান, পারধুন্দিয়া এলাকায় নদীর তীর প্রতিরক্ষার কাজ বন্যার আগে উদ্বোধন করা হলেও এখনো পুরোপুরি শুরু করা হয়নি। তবে শুধু বন্যার ভাঙ্গন ঠেকাতে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। বন্যা শেষে পুরোদমে কাজ শুরু করা হবে।

শর্টলিংকঃ