বগুড়ায় অর্শ রোগীর মলদ্বারে বাথরুমের ব্রাস

’একে তো মরার পা ,তার উপর খাড়ার ঘা’ । তবে এবার বগুড়ায় এমনি ঘটনায় খাড়ার ঘায়ে যেন মরার ঘায়ের ঘটনা ঘটেছে । মুন্না (২০)নামের এক ফেসটুলা (অর্শ)গেজ রোগীর উপর মরার ঘায়ের মত মলদ্বারে ঢুকে পড়েছে বাথ রুম পরিস্কার করার ব্রাস । ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বগুড়ার শাহজাহানপুর এলাকায় ।

জানা গেছে , বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের শেয়ালকোট গ্রামের গোলাম রাব্বানীর পুত্র মুন্না একজন বুদ্ধি প্রতিবন্দি এবং অর্শগেজ রোগী । মল ত্যাগের সময় তার পায়খনার রাস্তা দিয়ে মাংশ পিন্ড বেরিয়ে আসতো । পরে কাজ শেষে সেই মাংশ পিন্ড হাত দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দিতো সে নিয়মিত ভাবে ।

সকালে প্রভাতে নিয়মিত কাজ ছাড়তে মুন্না প্রকৃতির ডাকে বাথরুমে গেলে মলদ্বার দিয়ে তার মাংশ পিন্ডোটি আবারো বেড়িয়ে আসে। এবার কাজ শেষে সে তার বেড়িয়ে আসা মাংশ পিন্ডটি ভেতরে আবারো প্রবেশ করিয়ে দেবার জন্য চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। সে দীর্ঘ সময় মাংশ পিন্ডটি ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দিতে বার বার চেষ্টা করে ব্যার্থ হলে, এবার সে বাথরুম পরিস্কার করার ব্রাস দিয়ে বেড়িয়ে পড়া মাংশ পিন্ডটি ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দেবার চেষ্টা করে । এক পর্যায়ে ব্রাস সহ মাংশ পিন্ডটি ভেতরে ঢুকে যায় । পরে শত চেষ্টা করেও সেই ব্রাসটি আর বের করা না গেলে তাকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ।

বেলা সোয়া ১০টায় সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার বিষয়টি উর্ধতন ডাক্তারদের গোচরে আনলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তাররা জরুরী ভিত্তিতে অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে ব্রাসটি অপসারনের উদ্যোগে নেন। পরে সেখানের কৃতি সার্জান ডাঃ এবিএম জাফর সাদিকের নের্তৃতে কয়েকজন ডাক্তার প্রায় দেড় ঘন্টা সময় নিয়ে ব্রাসটি অপসারন করেন। শেষ খবর পর্যন্ত মুন্নাকে হাসপাতালের নিবিরপর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছিল।

শর্টলিংকঃ