পূর্ব শত্রুতার জেরে ধানক্ষেতে ফিচিমারা ঔষধ

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পতিপক্ষের দেয়া ফিচি মারা ঔষধে প্রতিবন্দ্বির এক নারীর ৩ বিঘা জমির ধান নষ্ট করে ফেলার অভিযোগ পাওয়া পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের কাছে বিচার চাইলে এখনও এ ব্যাপারে কোন বিচার বা সুরাহা পায়নি ওই নারী।

উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দশলাল গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ আলীর স্ত্রী তামান্না ইয়াসমিন রোমানা জানান, তিনি পাশ্ববর্তী কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের বলিশিব সমুদ্র সগনা গ্রামের আব্দুর রশিদের কন্যা এই কারণে পিতার বাড়ীর এলাকার একই গ্রাামের মজিবর রহমানের ৩ বিঘা ক্রয় করেন।

জমিটি দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করলেও মজিবরের পুত্র জিয়াউর রহমান কিছুদিন ধরে ওই জমিতে তার মালিকানার অংশিদার রয়েছে দাবী করে বিভিন্ন ধরণের হয়রানি কার্যক্রম শুরু করে। মাত্র ৪/৫ দিন আগে জিয়াউর স্থানীয় মেম্বার আনোয়ার হোসেনকে এই জমির ধান কেটে নেয়ার হুমকী দেয়। এর এক পর্যায়ে গত শনিবার দেখা যায় জমি ধান গুলি হলুদ হয়ে পুড়ে যাওয়ার মত হয়েছে। রোমানার ধারণা জমির ধান কাটতে ব্যর্থ হয়ে জিয়াউর জমিতে আগাছা নাশক (ফিচি মারা) ঔষধ প্রয়োগ করে ধান নষ্ট করে ফেলেছে। তার মত এক নীরিহ নারীর এ ধরণের ক্ষতি করায় তিনি এর বিচার দাবী করেছেন।

মাত্রাই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা বলে তিনি জানান, তাকে মৌখিক ভাবে বিচারের কথা বলেছেন। ইতিমধ্যে জমিতে খোঁজ নিয়ে ধান বিনষ্টের বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। দ্রুত বিষয়টি নিস্পত্তির চেষ্টা করবো।

জয়পুর হাট জেলার কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নীলিমা জাহান সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শত্রুতাবসত জমিতে আগাছা নাশক প্রয়োগ করে ধান ৩বিঘা জমির অপক্ক ধান পুড়ে ফেলার কথা নিশ্চিত করে বলেন একজন প্রতিবন্দ্বি নারী সাথে একেবারে অমানবিক আচরন করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ