নিহত প্রিয়ার বিয়ের কাজি গ্রেফতার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রারকারী কাজী আব্দুল খালেককে খুনের মামলায় রবিবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকুচি মদনতাইর (বাড়ইপাড়া) গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

থানা সুত্রে জানা গেছে, কাজী খালেক গত ১৮ মার্চ প্রিয়া নামের একটি নাবালিকা মেয়ের বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। এরপর নাবালিকা মেয়েটি ২য় স্ত্রী হিসাবে বোয়ালিয়া নয়াপাড়া গ্রামের রহিম উদ্দিনের পুত্র মমিন মিয়ার সাথে ঘর সংসার করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মমিন তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিয়া মারা যায়।

প্রিয়ার পরিবার দাবি করে প্রিয়াকে মেরে ফেলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ প্রিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়না তদন্ত করার জন্য মৃতদেহ গাইবান্ধা মর্গে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে, ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসার আগেই প্রিয়ার মা গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন  আদালতে  একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দাখিল করলে আদালতের নির্দেশে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে মামলার তদন্তকারি অফিসার আসামি মমিনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালতে আসামি মমিন স্বীকারোক্তি মুলক  জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন যে, খালেক কাজী জেনে- শুনে তাদের বাল্য বিয়েটি রেজিস্ট্রি করে। এরপর কাজী খালেককে গ্রেফতার করা হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান জানান, কাজী খালেক বেশ কয়েকটি বাল্যবিয়ে রেজিষ্ট্রি করার অপরাধে ইতিপ‚র্বেও মোবাইল কোর্টে তার জেল হয়। খালেক কাজীকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ