নাটোরে বিয়ের পর জামিন পেলেন ধর্ষণ মামলার আসামি

নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে  ধর্ষণের শিকার এক নারীকে বিয়ের পর জামিন পেলেন  মানিক হোসেন নামে  এক যুবক। আজ বৃহস্পতিবার আদালত চত্তরে ধর্ষিতা মেয়েকে বিয়ের পর আদালতে মানিক হোসেনের পক্ষে তার আইনজীবি আদালতে জামিনের আবেদন করেন।এ আবেদনের দীর্ঘ  শুনানী শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, গত ১৮ অক্টোবর রাতে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রওশনপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মানিক হোসেন একই এলাকার এক নারীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পরদিন ১৯ অক্টোবর ওই নারী মানিক হোসেনকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় মামলা করেন। এরই প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক মানিক হোসেনকে গ্রেফতার করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় মানিক হোসেন ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়ে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে আজ দুপুরে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আদালতে জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। পরে ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পায়।

নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজি রিয়াজুল হক বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে কনের বয়স ১৭ বছর ও বরের বয়স ২০ বছর উল্লেখ থাকার পর কীভাবে তাঁদের বিয়ে নিবন্ধন করা হলো—জানতে চাইলে তিনি বলেন, কনেপক্ষ থেকে জন্মসনদ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী বয়স হয় ১৯ বছর ১১ মাস ৭ দিন। উভয়পক্ষের আপত্তি না থাকায় বিয়ের নিবন্ধন করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ