ধর্ষণ মামলায় লক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শ্রীঘরে

ধর্ষণের ধারণকৃত ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে আবারও ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধা সদরের লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)  চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল (৪৭) কে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। আজ বুধবার সকালে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এসময় বিচারক মোস্তাফিজুর রহমানকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৩ মার্চ ন্যাশনাল সার্ভিসে চাকরির জন্য প্রত্যয়ন নিতে ধর্ষণের শিকার নারী ইউনিয়ন পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল তাকে রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এসময় কৌশলে চেয়ারম্যান ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখে।

পরবর্তীতে ওই নারীকে ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করা হয়। সর্বশেষ গত ১১ নভেম্বর নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে তার স্বামীর অনুপস্থিতে ধর্ষণের সময় আশেপাশের লোকজন টের পেলে চেয়ারম্যান বাদল পালিয়ে যায়।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতা নারী বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। বুধবার ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ওই চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল স্থানীয় লেংগা বাজার বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। ২০১৭ সালে ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিনি দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। পরে জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি ধর্ষণের মামলা মিমাংসা করে মামলা থেকে রেহাই পান।

শর্টলিংকঃ