ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদন্ড

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করা হচ্ছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, আইনের ৯ (১) ধারায় যেখানে ধর্ষণের সাজা যাবজ্জীবন ছিল, সেখানে মৃত্যুদন্ড যুক্ত করা হবে।

সম্প্রতি দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এমন কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা সরকার। সোমবার মন্ত্রীসভায় এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন হবে। সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নিকট যাবে। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি করলে তা আইনে রুপ নিবে। এরপর জাতীয় সংসদ অধিবেশন বসলেই প্রথম বৈঠকে এই অধ্যাদেশকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হবে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক সেনাদের মদতে এদেশে গণহত্যা ও গণধর্ষণ হয়েছিল। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামী ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির আব্দুল কাদের মোল্লা। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনতার ফাঁসি দাবিতে গণজমায়েত বিশ্বের নজর কেঁড়েছিল। ঢাকার শাহবাগ মোড়ে এই জমায়েত ঐতিহাসিকে রুপ নিয়েছিল। কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়।

সম্প্রতি, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। এরই জেরে ধর্ষকদের চরম শাস্তির দাবিতে সেই শাহবাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হচ্ছে।

সিলেটের মুরারি চাঁদ (এমসি) কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গত ৪ অক্টোবর নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।এছাড়াও আরও কয়েকটি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা উঠে আসে।

শর্টলিংকঃ