ট্রাক – মাইক্রোবাসে কর্মস্থলে ছুটছেন শ্রমিকেরা

ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে আসা রংপুরের আট জেলার কারখানার শ্রমিকেরা ট্রাক ও মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন প্রাইভেট গাড়ীতে কর্মস্থলে ছুটতে শুরু করেছেন। রপ্তানিমুখী পোশাককারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণা পর শুক্রবার রাত থেকে এ পরিস্থিতি দেখা দেয়।

বিশেষ করে শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাকে গাদাগাদি করে ঢাকায় ছুটছে কর্মজীবী মানুষ। তে নূন্যতম মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।ফলে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ১৪ দিনের কঠোরতম বিধিনিষেধে সব ধরণের শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকবে সেই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে সরকারের সঙ্গে দেন দরবারের নামেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের পাঁচ সংগঠনের নেতারা।

ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই তৈরি পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা আগামীকাল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।রোববার সকাল ছয়টা থেকে পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাকে বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ শুক্রবার বিকেলে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে আসা শ্রমিকেরা জানান, এই প্রজ্ঞাপন জারির পর রপ্তানিমুখী পোশাককারখানার কর্মকর্তারা তাদের যেতে বলছেন। এ কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ট্রাক ও মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন প্রাইভেট গাড়ী ভাড়ায় নিয়ে ছুটছেন কর্মস্থল ঢাকা ও গাজিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়।এতে যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই।

গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি খায়রুল ইসলাম বলেন, “রপ্তানিমুখী পোশাককারখানার শ্রমিকেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেভাবেই হোক কর্মস্থলে যেতে পাববেন। এতে কোন বাঁদা নেই। তাছাড়া রাতে রংপুর থেকে বাসে শ্রমিকেরা ঢাকায় যাবেন।

শর্টলিংকঃ