বান্ধবীর বাড়ীতে এসে গামেন্টকর্মী ধর্ষণের শিকার

ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে সহকর্মী বান্ধবীর সাথে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বেড়াতে এসে সংঘবন্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী গামেন্টকর্মী। ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় অভিযোগে নির্যাতিত কিশোরীর বান্ধবী আদুরী বেগম ও মুল অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আদুরী শাখাহার ইউনিয়নের চক মানিব পুর গ্রামের লুুৎফর রহমাননের কন্যা এবং জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী আর সোহেল (৪০) পার্শ্ববর্তী পলাশবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ভগবানপুর গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে।

নির্যাতিত কিশোরী জানান, তার বাড়ী বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার পূর্ব বাদশালা গ্রামে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দিঘিরহাট চক মানিকপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে আদুরী বেগম তার স্বামীসহ ঢাকার নারায়ণগঞ্জে ভাড়া বাসায় থেকে গামেন্টে কাজ করেন। একই বাসায় ভাড়া থেকে সেও গার্মেন্টে কাজ করেন। একই বাসায় থাকার কারণে আদুরীর সাথে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়। গত ২৭ অক্টোবর আদুরী বেগম তার বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে ওই কিশোরীকে নিয়ে আসেন। সেখানে কয়েক দিন অবস্থান করায় আদুরীর সম্পর্কের দুলাভাই সোহেলের সাথে ওই কিশোরীর সখত্য হয়।

গত শুক্রবার সকালে সোহেল ঢাকার গাড়ীতে তুলে দেয়ার কথা বলে দিনভর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রাতে অজ্ঞাত স্থানের একটি কলা বাগানে নিয়ে যায় সেখানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে সোহেলসহ পূর্ব থেকে অপেক্ষমান ৪/৫ জন মিলে সংঘবদ্ধ ভাবে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ওই রাতে উপজেলার বালুয়া বাজার বাংলালিংক টাওয়ারের সামনে ওই নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে ফেলে রেখে চলে যায় তারা। পরে শুক্রবার মধ্যরাতে স্থানীয়দেও খবরের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান, নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে উদ্ধারের পর গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। নির্যাতিতা নিজেই বাদী হয়ে সোহেল সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার করেছে। ইতিমধ্যে ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শর্টলিংকঃ