বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত

গাইবান্ধায় বিপৎসীমার ২২ সে.মি. ওপরে ব্রহ্মপুত্রের পানি

গেল কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার নদ-নদী গুলোতে ব্যাপকহারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলার একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ছেন হাজারো মানুষ। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নিম্নাঞ্চল ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া, খাটিয়ামারী, ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা ও যমুনা নদীবেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, পালপাড়া, চিনিরপটল, চকপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাশহাটা, মুন্সিরহাট, গোবিন্দি, নলছিয়াসহ বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চ-িপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর গ্রামে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। তিস্তা ও ঘাঘট নদীবেষ্টিত সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে গাইবান্ধার বালাসীঘাট এলাকার ওয়াপদা বাঁধের পূর্ব এলাকায় গত বছরের ভাঙা বাঁধের অংশ দিয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে ভাষার পাড়া গ্রাম। ফলে এলাকার লোকজনের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। বসতবাড়িতে বন্যার পানি ওঠায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকে। আবার কেউ কেউ আশ্রয় নিচ্ছে বাধে। পানির  স্রোতে বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই এলাকার লোকজনের মাঝে বন্যা ও নদী ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা বা তথ্য এখনও জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ১২ ঘণ্টায় ২০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঘাঘট নদীর পানি শহর পয়েন্টে ১২ ঘণ্টায় ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ