করোনা পরবর্তী জটিলতায় খালেদা জিয়া

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দিন দিন সুস্থ হচ্ছেন।  তিনি ঢাকার একটি  বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তবে  চিকিৎসকরা  জানান এখনই তিনি ছাড়া পাবেন না। সিসিইউ বেড থেকে তাঁকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। এখনও করোনা পরবর্তী বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে তাঁর। পুরোপুরি সুস্থ হলেই তাকে বাড়িতে আনা হবে।

বিএনপির অভিযোগ, সরকার ইচ্ছে করে আইনি জটিলতা দেখিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশে হতে দিচ্ছে না। বারবার তাঁর পরিবার ও দলের তরফে আবেদন করা হয়েছে। সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বক্তব্য, খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর তিনি মানবিকতার কারণে জেল থেকে ছাড়া পান। আদালত তাঁর বিদেশে যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিএনপির চায় বর্ষীয়ান নেত্রীর ক্ষেত্রে একটু নরম হোক সরকার।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। ২৭ এপ্রিল তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বেড়েছিল শ্বাষকষ্ট। ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পরামর্শে খালেদা জিয়াকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বার্ধক্য জনিত বিভিন্ন শারিরীক জটিলতা রয়েছে খালেদা জিয়ার। গত ৮ মে তৃতীয় দফা নমুনা পরীক্ষায় করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

এর পরেই চিকিৎসকরা জানান, করোনা মুক্ত হলেও এখনই ছাড়া পাবেন না খালেদা জিয়া। তাঁর চিকিৎসার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,করোনা মুক্ত হলেও কিডনি, ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যায় ভূগছেন খালেদা জিয়া। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র তারেক রহমান ইংল্যান্ডে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে আদালত কারাদণ্ড দিয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সরকারের চোখে পলাতক।

শর্টলিংকঃ