‘কে ফিরিয়ে দিবে ৩০ বছর’

(পূর্ব প্রকাশ্যের পর) খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এখন সেই সন্ধান পত্রিকার প্রকাশনা আর নেই।এমন কি ইত্তেফাক পত্রিকার গাইবান্ধা প্রতিনিধি ছিলেন সন্ধানের সম্পাদক, প্রকাশক জনাব মশিউর রহমান খান।সেখান থেকেও ভাগ্য তাকে ফিরিয়ে নিয়েছে। কি কারণে “দৈনিক সন্ধান” প্রকাশনা বন্ধ তা বলতে চাইনা। তবে পত্রিকাটির সম্পাদক তা ভাল করেই জানেন।

জরুরি মুহুর্তে হাতে পত্রিকা না থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কি কষ্টকর! এ রকম পরিস্থিতিতে কর্মচ্যুত হওয়া সাংবাদিক তা ভাল জানেন।

চড়াই-উতরাইয়ের মাস ছয়েক পর আমাকে কাছে টেনে নিলেন ‘দৈনিক ঘাঘট’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক জনাব আসাদুজ্জামান মামুন।এবার শুরু হলো-নতুন পথচলা। গাইবান্ধা শহরের সার্কুলার রোড়ে অবস্থিত ‘দৈনিক ঘাঘট’ পত্রিকা অফিসে সে সময় বেশী বেশী যেতাম। সময়ের ফাঁকে ফাঁকে মামুন ভাই আমাকে সংবাদ লেখা শেখাতেন। আমি মনোযোগ দিয়ে শিখতাম।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ‘নাকাই ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা’ কেন্দ্রের লাগামহীন অনিয়মের খবর ফের ‘দৈনিক ঘাঘট’ পত্রিকায় প্রকাশ হয়।আমাকে লাঞ্চিত করায় আমি সঞ্জীবনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ডায়েরি করি। মামুন ভাই এ বিষয়ে কঠোর ভূমিকা রাখলেন। পুলিশের ভয়ে শেষ পর্যন্ত ভুল স্বীকার করেন সঞ্জীবন। আমার প্রতি সদয় দৃষ্টি রাখায় আমি ঘাঘট সম্পাদক জনাব আব্দুস সামাদ বাবু ও বার্তা সম্পাদক মামুন ভাইয়ের নিকট আমি কৃতজ্ঞ। আল্লাহ উভয়কে দীর্ঘজীবি করুক-এই দোয়া করি।

এই সময়ের ফাঁকে মামুন ভাইয়ের সঙ্গে কোন এক মুহুর্তে থাকা অবস্থায় পরিচয় ঘটলো দীপক কুমার পালের সঙ্গে।তিনি জনসংকেত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। সেই সময় জনসংকেত অর্ধ সাপ্তাহিক ছিল। আলাপচারিতায় কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছি ‘দীপক দা’ নিঃশন্দে একজন ভাল মানুষ।এরপর থেকে উভয় পত্রিকায় আমার কাজের পালা।পরে জনসংকেত পত্রিকাটি অর্ধসাপ্তাহিক থেকে দৈনিক হয়।বিরতিহীন ভাবে জনসংকেতের সঙ্গে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে জড়িত আছি।

দীপক দা সংগঠন মোনা মানুষ। তিনি গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ও জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক।তাছাড়া মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গেও ছিলেন।এ ছাড়াও তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সব মিলিয়ে কর্মব্যস্ত জীবন তার। (প্রিয় -পাঠক/পাঠিকা- পরবর্তী পর্বে দৃষ্টি আকর্ষণ রইল।)

শর্টলিংকঃ