একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করতে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের বিষয়ে তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে তিনি লিখে গেছেন। কিন্তু বারবার তার নাম ইতিহাস থেকে মুছে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাস বারবার বিকৃত করেও সত্য ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারে না।

তিনি বলেন, ‘একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করতে। একুশের রক্তে লেখা হয়েছিল স্বাধীনতা। ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির অত্যন্ত গৌরবের।’ আজ  বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক’ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২১ ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২০ বরেণ্য ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২০’ দিয়েছেন তিনি।

এবারের একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে প্রয়াত আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক, শিল্পকলায় (নৃত্য) মো. গোলাম মোস্তফা খান, শিল্পকলায় (অভিনয়) এম এম মহসীন, শিল্পকলায় (চারুকলা) অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা জামান, মুক্তিযুদ্ধে প্রয়াত হাজি আক্তার সরদার (মরণোত্তর), প্রয়াত আব্দুল জব্বার (মরণোত্তর), প্রয়াত ডা. আ আ ম মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার) (মরণোত্তর)।

সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর), গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, অর্থনীতিতে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, সমাজসেবায় সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে ড. নুরুন নবী, প্রয়াত সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি ও চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার।

এছাড়া, গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের একুশে পদক বিজয়ী হিসেবে ২০ ব্যক্তি এবং এক প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেন । ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সরকার প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, পুরস্কারের অর্থ এবং একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

শর্টলিংকঃ