এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পোগইল গ্রামবাসীর ভোগান্তির কোন শেষ নেই। এই গ্রামের  শিমুলতলী বাজারের দক্ষিণ পাশ্বে বন্যার পানির চাপে ভেঙ্গে যাওয়ার তিন বছর পর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা সড়কটি এখর চলাচলে অনুপোযোগি হয়ে পড়েছে।সড়কটিতে বৃষ্টির পানি জমে চরম কাঁদার সৃষ্টি হওয়ায় আবারও দুর্ভোগের কবলে পড়েছে গ্রামবাসী।

গ্রামবাসী জানান, বছর তিনেক আগের বন্যায় নলেয়া নদীর পানির চাপে সড়কের ওই স্থানে ভেঙ্গে যায়। তখন থেকেই দুর্ভোগের শিকার হয়ে আসছে এলাকার লোকজন। ভুক্তভোগিরা সড়কটি নির্মাণের জন্য দির্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট দাবি জানিয়ে এলেও কেউ তাদের দাবির প্রতি ভ্রক্ষেপ করছেনা। অবশেষে তারা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কটি নির্মাণ করেন।

শিমুলতলী বাজারের ব্যবসায়ী মাকু মিয়া জানান,গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নির্মাণ করা সড়কের পূর্বপাশে জমে থাকা পানি সড়কের নিচ দিয়ে চোয়াতে থাকে। এতে আবারও ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কায় সড়কের পশ্চিম পাশে বালুর বস্তা ফেলানোর পাশাপাশি সড়কের ওপরে মাটের মাটি দেওয়া হয়। ফলে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে কাঁদা সৃষ্টি হওয়ায় আবারও দুর্ভোগের কবলে পড়ে এলাকাবাসী।

এ প্রসঙ্গে, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সড়কের ওই স্থানে ত্রাণমন্ত্রণালয়ের অধীনে পঞ্চাশ ফুট ব্রীজ্রের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কাজ শুরু হবে।

শর্টলিংকঃ