ইউএনওকে হামলায় বাসার মালির দায় স্বীকার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ইউএনও ওয়াহিদাকে হামলার পর থেকেই বিনিদ্র রজনী পার করছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকালে আটক  ইউএনও  অফিসের বরখাস্তকৃত কর্মচারী রবিউল ইসলামকে ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়- সে ইউএনও’র বাসার মালি ছিল।

রবিউলকে গত ১১ সেপ্টেম্বর আটক করা হয়। সে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া ধামাহার ভিমপুর গ্রামের মৃত খতিব উদ্দীনের ছেলে।

পুলিশের  রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন গ্রেফতারের পর রবিউল পুলিশের নিকট ঘটনার দায় স্বীকার করে বক্তব্য দেয়। তার বক্তব্যের সুত্রধরে কিছু আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যবহৃত অস্ত্র হাতুড়িটি একটি পুকুরে পাওয়া গেছে। যে সিসিটিভি ফুটেজকে সংগ্রহ করে সেটির সঙ্গে আমরা মিলিয়ে দেখছি। আরো তথ্য উদঘাটনে তাকে ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ইউএনওর সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওয়াহিদা খানম ও তার মুক্তিযোদ্ধা বাবা ওমর আলী শেখের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। ইউএনও ওয়াহিদা খানম ঢাকায় ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন। বহুল আলোচিত এ ঘটনায় ঘোড়াঘাট থানায় ইউএনও’র বড় ভাই শেখ ফরিদের করা মামলাটি এখন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করছে।

শর্টলিংকঃ