ধর্ষণের বিচার

আজ থেকে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান কার্যকর

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যতন দমন আইনের খসড়া চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। বর্তমান আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড। এখন সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদন্ড।

একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার আন্দোলনের মধ্যেই সোমবার মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনি যাচাই (ভেটিং) সাপেক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। জাতীয় সংসদেও অধিবেশন না থাকায় আজ মঙ্গলবার এটি রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।

গতকাল সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি মন্ত্রীসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।পরে  সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন কওর সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া এক তরুণীকে তুলে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আরেক নারীকে বিবস্ত্র করে অনলাইওে ছড়িয়ে পড়া নির্যাতনের ভিডিও ডিনয়ে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধরা ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবি করায় সরকার এ বিধান রেখে সংশোধন করছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন।

আইনে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড রাখার পাশাপাশি আরো দুটি আইন সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হল- যৌতুকের ঘটনায় মারধরের ক্ষেত্রে (ধারা ১১-এর গ) সাধারণ জখম হলে তা আপসযোগ্য হবে। এছাড়া আইনের চিলড্রেন অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর (ধারা ২০-এর ৭) পরিবর্তে শিশু আইন ২০১৩ প্রতিস্থাপিত হবে। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রীপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আইনের সংশোধন সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শর্টলিংকঃ