অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই আনুশকাহর মৃত্যু

রাজধানীর কলাবাগানে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ও লেভেল শিক্ষার্থী আনুশকাহর নূর আমিনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে  তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, যৌন ও পায়ু পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে কিনা, তার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কেমিক্যাল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এর আগে, বয়স নির্ধারনের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহের এক্সরেসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যান। ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার বন্ধু তানভীর ইফতেফার দিহানকে একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন। ধর্ষণের পর হত্যার দায় স্বীকার করে দুপুরে দিহান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত স্বীকারোক্তি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন

কলাবাগান থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান ‘গণমাধ্যম’  জানান- বৃহস্পতিবার রাতে তানভীর ইফতেফার দিহানকে একমাত্র আসামি করে ছাত্রীর বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন মামলার তদন্তকারি অফিসার।

শর্টলিংকঃ